১৩ কোটি ভোটারের নাম গায়েব! নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন অভিজিৎ দীপকে
ছবি সংগৃহীত
দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে অভিজিৎ দীপকে দাবি করেছেন যে, ভোটার তালিকা থেকে দেশজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি বৈধ ভোটারের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। তার অভিযোগ, গত লোকসভা নির্বাচনে শাসকদল ও বিরোধী জোটের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২ শতাংশ। এই বিপুল সংখ্যক নাম বাতিলের ফলে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষকে অন্যায্য সুবিধা করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
দল ভাঙার ক্ষেত্রেও কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ভিডিও বার্তায় তিনি শুধুমাত্র ভোটার তালিকা নিয়েই প্রশ্ন তোলেননি, বরং মহারাষ্ট্রের শিবসেনা এবং এনসিপি-র মতো বিরোধী দলগুলোকে ভাঙার নেপথ্যেও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তার দাবি অনুযায়ী, বিরোধী দলগুলোকে ভেঙে তাদের দলীয় প্রতীক প্রক্সি বা অন্য গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে কমিশনের নিরপেক্ষতা লঙ্ঘিত হয়েছে।
পদত্যাগের দাবি ও পিটিশন
এই চাঞ্চল্যকর দাবিগুলো সামনে আসার পর থেকেই নেটমাধ্যমে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে অনলাইনে একটি পিটিশনও শুরু করা হয়েছে বলে ভিডিওটিতে জানানো হয়। সাধারণ মানুষকে এই পিটিশনে অংশ নিয়ে গণতন্ত্র রক্ষার আওয়াজ তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে।
⚠️ ডিসক্লেইমার (দাবিত্যাগ):
এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত যাবতীয় তথ্য, পরিসংখ্যান এবং অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের ব্যক্তিগত ভিডিও বার্তার ওপর ভিত্তি করে পরিবেশিত। নেটওয়ার্ক বাংলা বা এর সম্পাদকীয় পর্ষদ স্বাধীনভাবে এই তথ্যগুলোর সত্যতা যাচাই করেনি। এই রাজনৈতিক দাবির পক্ষে বা বিপক্ষে নেটওয়ার্ক বাংলার নিজস্ব কোনো অবস্থান নেই। অভিযোগের সত্যতা ও প্রাসঙ্গিকতার সম্পূর্ণ দায়ভার অভিযোগকারীর। এর জেরে সৃষ্ট কোনো বিতর্কের জন্য নেটওয়ার্ক বাংলা আইনত বা নৈতিকভাবে দায়বদ্ধ নয়। প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ মানুষের জ্ঞাতার্থে এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।