কাঁকড়া মির্জানগর স্টেশনের নাম বদলে 'লোকনাথ ধাম' করার দাবি! কচুয়ায় সেন্ট্রাল টিম

কচুয়া ধামে সেন্ট্রাল টিমের পরিদর্শন এবং কাঁকড়া মির্জানগর স্টেশনের নাম পরিবর্তনের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাহিন আলম, কচুয়া ধাম: দীর্ঘদিনের বঞ্চনা এবং অবহেলার পর অবশেষে কি উন্নয়নের মুখ দেখতে চলেছে পুণ্যতীর্থ কচুয়া ধাম? শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার পবিত্র জন্মস্থান কচুয়া ধামের সার্বিক উন্নয়ন এবং হেরিটেজ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এবার সরাসরি খোদ গ্রাউন্ড জিরোয় পরিদর্শনে এল সেন্ট্রাল টিম। একইসঙ্গে পর্যটক ও দূর-দূরান্তের পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে কাঁকড়া মির্জানগর স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে 'লোকনাথ ধাম' রাখার জোরালো দাবি তুলেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও অগণিত ভক্তরা। সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে উঠে আসা এই প্রতিবেদনে ধরা পড়ল এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ ও আশার কথা।

স্টেশনের নাম বদলের জোরালো দাবি

দূর-দূরান্ত থেকে, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ বা ভিন রাজ্য থেকে আসা লক্ষ লক্ষ ভক্ত প্রায়শই বুঝতে পারেন না ঠিক কোথায় নামতে হবে। ভক্তদের এই দুর্দশা লাঘবে এবং পুণ্যভূমির আবেগ রক্ষার্থে কাঁকড়া মির্জানগর স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে 'লোকনাথ শ্রী শ্রী ধাম' বা অনুরূপ কিছু রাখার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আবেদন জানানো হচ্ছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের সরাসরি অভিযোগ, এত বড় একটি তীর্থস্থান এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হওয়া সত্ত্বেও এখানে আশানুরূপ কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

সেন্ট্রাল টিমের পরিদর্শন ও হেরিটেজ রক্ষা

কচুয়া ধামকে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে এবং এখানকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব (Heritage) বজায় রেখে মন্দির চত্বর, নাটমন্দির, পার্ক এবং পুণ্যার্থীদের রাত্রিবাসের সুব্যবস্থা করার লক্ষ্যে সেন্ট্রাল টিম এলাকাটি বিস্তারিতভাবে ঘুরে দেখেছে। এই ধামের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য—উভয় সরকারের কাছেই আবেদন পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

"এখানে লক্ষ লক্ষ ভক্ত সমাগম হয়, কিন্তু সেই অনুযায়ী কোনো ডেভলপমেন্ট হয়নি। আমরা চাই এখানকার হেরিটেজ রক্ষা করে এই পুণ্যভূমিকে সাজিয়ে তোলা হোক। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আমরা আমাদের এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। ডবল ইঞ্জিনের সরকার আমাদের এই দাবি পূর্ণ করবে বলে আমরা আশাবাদী।"
— পরিদর্শনকারী দলের এক সদস্য

গ্রাউন্ড জিরো থেকে সরাসরি ভিডিও রিপোর্ট দেখতে প্লে করুন:


সব মিলিয়ে কচুয়া ধামের এই উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ এবং স্টেশনের নাম পরিবর্তনের দাবি বাস্তবায়িত হলে তা এই অঞ্চলের পর্যটন এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে এক বিশাল ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।


© Network বাংলা • সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Post a Comment

Previous Post Next Post