অশোকনগর থেকে প্রতিদিন ২০ হাজার লিটার 'ক্রুড অয়েল' উত্তোলন শুরু করল ওএনজিসি, অর্থনীতির নতুন দিশা
জমি জট কাটিয়ে ৬ বছর পর ফের হলদিয়া শোধনাগারে যাচ্ছে কাঁচা তেল; খুশির হাওয়া বাইগাছি এলাকায়
অশোকনগরে তেল এবং গ্যাসের সন্ধান আগেই পাওয়া গিয়েছিল। ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর তৎকালীন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান অশোকনগরে এসে ওএনজিসি থেকে প্রথম 'ক্রুড ওয়েল' পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। তার কিছুদিন পরেই অবশ্য করোনা পরিস্থিতির কারণে কাজ থেমে যায় এবং জমি-জট সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ওএনজিসির কাজকর্ম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছিল। নতুন সরকার আসার পর অশোকনগরে ওএনজিসির কাজের গতি বাড়ে। প্রায় ছয় বছর পর শুক্রবার অশোকনগরের বাইগাছি ওএনজিসি ফিল্ড থেকে ফের 'ক্রুড অয়েল' (কাঁচা তেল) হলদিয়া শোধনাগারের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো হলো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওএনজিসির ডিরেক্টর (এক্সপ্লোরেশন) শ্রী ও পি সিনহা সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অশোকনগরের বিধায়ক ডাঃ সুময় হীরা। প্রতিদিন এখান থেকে ২০ হাজার লিটার কাঁচা তেল শোধনাগারে পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ওএনজিসি। এই বেঙ্গল বেসিনের হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গ তথা সমগ্র এলাকার অর্থনীতি চাঙ্গা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অশোকনগরের বাইগাছি ওএনজিসি কেন্দ্র থেকে এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বাণিজ্যিকভাবে তেল উত্তোলন। বিশেষ ট্যাঙ্কারে করে অশোকনগরের মাটির নিচের খনিজ তেল পৌঁছে যাবে সরাসরি শোধনাগারে। খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়ার দীর্ঘ আট বছর পর অশোকনগর বাইগাছির ওএনজিসি কেন্দ্র থেকে বাণিজ্যিকভাবে তেল উত্তোলন ও ট্যাঙ্কারে করে শোধনাগারে তেল পৌঁছানোর ঘটনায় খুশির আবহ তৈরি হয়েছে অশোকনগর জুড়ে।
সংবাদ বাইট ও প্রতিক্রিয়া:
- মহাদেব দাস (স্থানীয় বাসিন্দা)
- ডাঃ সুময় হীরা (বিধায়ক, অশোকনগর)
- শ্রী ও পি সিনহা (ডিরেক্টর, ওএনজিসি)
প্রকাশক
নিজস্ব প্রতিনিধি
নেটওয়ার্ক বাংলা
