উৎসবের আগেই চিনির দামে ছ্যাঁকা! কেজি প্রতি ৭০ টাকা ছুঁল দাম

উৎসবের মরশুমের আগেই রাজ্যে চিনির দামে আগুন!

কেজি প্রতি ৭০ টাকা ছুঁল দাম, মাথায় হাত আমজনতার

দুর্গাপূজা ও দীপাবলির মতো টানা উৎসবের মরশুম শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আর ঠিক তার আগেই রাজ্যজুড়ে হু হু করে বাড়ছে চিনির দাম। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে চিনির এই আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছোট ব্যবসায়ী ও মিষ্টি বিক্রেতাদের রীতিমতো চিন্তায় ফেলেছে।

বাজারের বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ থেকে ২০ দিনের ব্যবধানে খুচরো বাজারে চিনির দাম কেজি প্রতি ৪৫-৪৮ টাকা থেকে একলাফে বেড়ে ৬৮-৭০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। অর্থাৎ মাত্র দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় ৪০ শতাংশেরও বেশি দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারেও দাম ৬৫ টাকা ছুঁয়েছে। ফলে খুচরো বিক্রেতাদের পক্ষে ৭০ টাকার নিচে চিনি বিক্রি করা কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি এবং সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইথানল উৎপাদনে আখের ব্যাপক ব্যবহার এবং বাজারে জোগানে ঘাটতিই এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। চিনির এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে আসন্ন উৎসবের মরশুমে। দাম বাড়ার কারণে ইতিমধ্যেই মিষ্টি, গুড়, বাতাসা ও নকুলদানার উৎপাদন খরচ বাড়তে শুরু করেছে। ফলে আগামী দিনে পাড়ার মিষ্টির দোকানগুলোতেও দাম বাড়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অবশ্য বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতিমধ্যেই কিছু কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে বড় ক্রেতা বা ব্যবসায়ীদের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ দিনের চিনি মজুত রাখার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বাজার কিছুটা ঠান্ডা করতে প্রায় এক দশক পর ১ মিলিয়ন টন অপরিশোধিত চিনি আমদানির ছাড়পত্রও দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

সতর্কীকরণ (Disclaimer): এই প্রতিবেদনটি বিভিন্ন সর্বভারতীয় ও রাজ্য স্তরের সংবাদমাধ্যম, বণিক সভার প্রকাশিত বিবৃতি এবং বাজারদরের সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। 'network বাংলা' স্বাধীনভাবে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রতিটি পরিসংখ্যান যাচাই করেনি।
খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে: network বাংলা ওয়েবসাইট থেকে

প্রকাশক

রাহিন আলম

network বাংলা

Post a Comment

Previous Post Next Post