
সীমান্ত সুরক্ষা ও অনুপ্রবেশ: প্রাক্তন তৃণমূল সরকারকে নিশানায় রেখে সরব বর্তমান শাসকদল বিজেপি
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টের মাধ্যমে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করল পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি (BJP West Bengal)। বিজেপির অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে করা এই পোস্টে মূলত রাজ্যের ডেমোগ্রাফি বা জনসংখ্যার ভারসাম্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
পোস্টটিতে দাবি করা হয়েছে যে, সীমান্ত সুরক্ষা এবং ডেমোগ্রাফি কোনও দলীয় রাজনীতির বিষয় নয়, বরং এটি জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিজেপির অভিযোগ, অতীতে যখন রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল, তখন পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিকবার কাঁটাতারের বেড়া বা অন্যান্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার জন্য জমি চেয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন রাজ্য সরকার তা প্রদান করেনি।
এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন শাসক দলের বিরুদ্ধে তোষণ এবং ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি দাবি করেছে যে, এর ফলেই জাতীয় অখণ্ডতার সঙ্গে আপস করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, সীমান্ত সুরক্ষার কাজে এহেন বাধা সৃষ্টি করার অর্থ হলো পরোক্ষভাবে অনুপ্রবেশকে উৎসাহিত করা। তাদের মতে, এর ফলে রাজ্যের জনসংখ্যার স্বাভাবিক কাঠামো বা ডেমোগ্রাফি মারাত্মকভাবে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে।
ওই পোস্টে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর একটি ভিডিও ব্যবহার করা হয়েছে। পোস্টের শেষে কড়া ভাষায় জানানো হয়েছে, জাতীয় প্রতিরক্ষার চেয়ে নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পূর্ববর্তী সরকারকে অবশ্যই দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
ডিসক্লেমার (দাবিত্যাগ):
এই প্রতিবেদনটি পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি পোস্টের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগ বা দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলটির নিজস্ব বক্তব্য। আমাদের নিউজ পোর্টাল স্বাধীনভাবে এই দাবিগুলির সত্যতা যাচাই করেনি এবং কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শ বা মন্তব্যকে সমর্থন বা খণ্ডন করে না। সাধারণ মানুষের জ্ঞাতার্থে শুধুমাত্র একটি সংবাদ বা তথ্য হিসেবে খবরটি পরিবেশন করা হয়েছে।
খবর প্রকাশে: রাহিন আলম
তারিখ: ৭ আগস্ট, ২০২৬
